মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬ ৬:৪৫ এএম,১২ কার্তিক ১৪৩৩মঙ্গলবার ৬:৪৫ এএম
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬ ৬:৪৫ এএম,১২ কার্তিক ১৪৩৩মঙ্গলবার ৬:৪৫ এএম
কনভার্টার
ফটোকার্ড
সব খবর

নামাজের সময়-সূচি

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৪:৪৬
  • ১১:৪৬
  • ৩:৪৮
  • ৫:২৮
  • ৬:৪২
  • ৬:০০
FB_IMG_1793035963837
[hdm_tts]

বিশেষ প্রতিনিধি : মোঃ শামীম রেজা

ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চ শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক মোঃ তৌহিদ বিন-হাসান ও পুলিশ সুপার মোঃ আমিনুল ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও যশোর-কুষ্টিয়া অঞ্চলের পরিচালক মোঃ মোবারক হোসাইন।

তিনি বলেন

জনগণের ন্যায্য দাবি উপেক্ষা করে জাতীয় সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।

সাক্ষাতে আসন্ন লংমার্চের প্রস্তুতি, কর্মসূচি চলাকালে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়ের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। কর্মসূচি নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব দেন নেতারা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও যশোর-কুষ্টিয়া অঞ্চলের সহকারী পরিচালক আবু সাদিক, কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যক্ষ আলী মহসিন, সংসদ সদস্য আব্দুল গফুর, মুফতি আমির হামজা, মোঃ আফজাল হোসেন, মোঃ রুহুল আমিন, মোঃ মাসুদ পারভেজ এবং জেলা সেক্রেটারি এনামুল হকসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে মোবারক হোসাইন বলেন, ১১ দলের সাত দফা দাবি শুধু রাজনৈতিক জোটটির নয়, বরং দেশের সাধারণ মানুষের প্রত্যাশার প্রতিফলন। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং জাতীয় সংকট মোকাবিলায় এসব দাবির গুরুত্ব রয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, লংমার্চের মাধ্যমে জনগণের প্রত্যাশা ও অধিকারসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো আরও জোরালোভাবে তুলে ধরা সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় সরাসরি প্রভাব ফেলছে। এসব বিষয় কোনো একটি দলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এগুলো জাতীয় স্বার্থ ও জনজীবনের সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই সমস্যাগুলোর সমাধানে সরকার, বিরোধী দল এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।

জামায়াতের এই নেতা আরও বলেন, আগের লংমার্চ কর্মসূচিগুলোতে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ ও সাড়া আয়োজকদের উৎসাহিত করেছে। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি থেকে বোঝা যায়, নিজেদের ন্যায্য দাবি আদায়ে জনগণের আগ্রহ রয়েছে। আগামী ৩১ অক্টোবরের ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চেও ব্যাপক জনসম্পৃক্ততা তৈরি হবে বলে তিনি প্রত্যাশা করেন।

দেশের চলমান সমস্যার স্থায়ী সমাধানে জনমতের গুরুত্ব তুলে ধরে মোবারক হোসাইন বলেন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, জ্বালানি ও বিদ্যুতের দাম সাধারণ মানুষের সামর্থ্যের মধ্যে রাখা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন। জনগণের প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দিয়ে এসব বিষয়ে বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ নেওয়া সরকারের দায়িত্ব।

তিনি জানান, লংমার্চের উদ্দেশ্য হলো সাত দফা দাবির প্রতি সংশ্লিষ্ট মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করা এবং দাবিগুলো বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণে চাপ সৃষ্টি করা। কর্মসূচি সফল করতে দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

কর্মসূচি পরিচালনার বিষয়ে তিনি বলেন, আয়োজকরা শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ বজায় রেখে লংমার্চ সম্পন্ন করতে চান। এ ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের চলাচল, নিরাপত্তা এবং সার্বিক শৃঙ্খলার বিষয়গুলো বিবেচনায় রাখা হবে।

উল্লেখ্য, ১১ দলীয় ঐক্যের সাত দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আগামী ৩১ অক্টোবর ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চ আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। এ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সংশ্লিষ্ট এলাকায় সাংগঠনিক কার্যক্রম, প্রস্তুতি এবং প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় অব্যাহত রয়েছে।

 

সংবাদটি সংরক্ষণ করুন

আপনার এলাকার খবর

বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় সংবাদ মাধ্যম

ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চ ঘিরে প্রশাসনের সঙ্গে জামায়াত নেতাদের মতবিনিময়

📅 ২৬ অক্টোবর ২০২৬ | ✍ মোঃ শামীম রেজা (বিশেষ প্রতিনিধি) | 📂 রাজনীতি

ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চ শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক মোঃ তৌহিদ বিন-হাসান ও পুলিশ সুপার মোঃ আমিনুল ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও যশোর-কুষ্টিয়া অঞ্চলের পরিচালক মোঃ মোবারক হোসাইন।

তিনি বলেন

জনগণের ন্যায্য দাবি উপেক্ষা করে জাতীয় সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।

সাক্ষাতে আসন্ন লংমার্চের প্রস্তুতি, কর্মসূচি চলাকালে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়ের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। কর্মসূচি নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব দেন নেতারা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও যশোর-কুষ্টিয়া অঞ্চলের সহকারী পরিচালক আবু সাদিক, কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যক্ষ আলী মহসিন, সংসদ সদস্য আব্দুল গফুর, মুফতি আমির হামজা, মোঃ আফজাল হোসেন, মোঃ রুহুল আমিন, মোঃ মাসুদ পারভেজ এবং জেলা সেক্রেটারি এনামুল হকসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে মোবারক হোসাইন বলেন, ১১ দলের সাত দফা দাবি শুধু রাজনৈতিক জোটটির নয়, বরং দেশের সাধারণ মানুষের প্রত্যাশার প্রতিফলন। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং জাতীয় সংকট মোকাবিলায় এসব দাবির গুরুত্ব রয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, লংমার্চের মাধ্যমে জনগণের প্রত্যাশা ও অধিকারসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো আরও জোরালোভাবে তুলে ধরা সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় সরাসরি প্রভাব ফেলছে। এসব বিষয় কোনো একটি দলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এগুলো জাতীয় স্বার্থ ও জনজীবনের সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই সমস্যাগুলোর সমাধানে সরকার, বিরোধী দল এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।

জামায়াতের এই নেতা আরও বলেন, আগের লংমার্চ কর্মসূচিগুলোতে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ ও সাড়া আয়োজকদের উৎসাহিত করেছে। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি থেকে বোঝা যায়, নিজেদের ন্যায্য দাবি আদায়ে জনগণের আগ্রহ রয়েছে। আগামী ৩১ অক্টোবরের ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চেও ব্যাপক জনসম্পৃক্ততা তৈরি হবে বলে তিনি প্রত্যাশা করেন।

দেশের চলমান সমস্যার স্থায়ী সমাধানে জনমতের গুরুত্ব তুলে ধরে মোবারক হোসাইন বলেন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, জ্বালানি ও বিদ্যুতের দাম সাধারণ মানুষের সামর্থ্যের মধ্যে রাখা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন। জনগণের প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দিয়ে এসব বিষয়ে বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ নেওয়া সরকারের দায়িত্ব।

তিনি জানান, লংমার্চের উদ্দেশ্য হলো সাত দফা দাবির প্রতি সংশ্লিষ্ট মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করা এবং দাবিগুলো বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণে চাপ সৃষ্টি করা। কর্মসূচি সফল করতে দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

কর্মসূচি পরিচালনার বিষয়ে তিনি বলেন, আয়োজকরা শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ বজায় রেখে লংমার্চ সম্পন্ন করতে চান। এ ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের চলাচল, নিরাপত্তা এবং সার্বিক শৃঙ্খলার বিষয়গুলো বিবেচনায় রাখা হবে।

উল্লেখ্য, ১১ দলীয় ঐক্যের সাত দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আগামী ৩১ অক্টোবর ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চ আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। এ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সংশ্লিষ্ট এলাকায় সাংগঠনিক কার্যক্রম, প্রস্তুতি এবং প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় অব্যাহত রয়েছে।