একই দিনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনের ঘোষিত তফসিলের বৈধতা প্রশ্নবিদ্ধ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে। সোমবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ এই রিট দায়ের করেন।
এদিকে মনোনয়নপত্র সংক্রান্ত রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আগামী ১০ জানুয়ারি থেকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়ামে পর্যায়ক্রমে এসব আপিলের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, রিটার্নিং কর্মকর্তার দেওয়া মনোনয়ন গ্রহণ বা বাতিলের সিদ্ধান্তে সংক্ষুব্ধ প্রার্থী, ব্যাংক কিংবা আর্থিক প্রতিষ্ঠান সিদ্ধান্ত ঘোষণার পাঁচ দিনের মধ্যে ইসিতে আপিল করতে পারবেন। আপিলের জন্য মূল কাগজপত্রের এক সেট এবং ছয় সেট ছায়ালিপি (ফটোকপি) মেমোরেন্ডাম আকারে জমা দিতে হবে।
আপিল গ্রহণের সুবিধার্থে দেশকে ১০টি অঞ্চলে ভাগ করে নির্বাচন কমিশনে আলাদা আলাদা বুথ স্থাপন করা হয়েছে।
রংপুর অঞ্চল: বুথ-১ (আসন ১–৩৩)
রাজশাহী অঞ্চল: বুথ-২ (আসন ৩৪–৭২)
খুলনা অঞ্চল: বুথ-৩ (আসন ৭৩–১০৮)
বরিশাল অঞ্চল: বুথ-৪ (আসন ১০৯–১২৯)
ময়মনসিংহ অঞ্চল: বুথ-৫ (আসন ১৩০–১৬৭)
ঢাকা অঞ্চল: বুথ-৬ (আসন ১৬৮–২০৮)
ফরিদপুর অঞ্চল: বুথ-৭ (আসন ২০৯–২২৩)
সিলেট অঞ্চল: বুথ-৮ (আসন ২২৪–২৪২)
কুমিল্লা অঞ্চল: বুথ-৯ (আসন ২৪৩–২৭৭)
চট্টগ্রাম অঞ্চল: বুথ-১০ (আসন ২৭৮–৩০০)
প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে নির্ধারিত সিরিয়াল অনুযায়ী শুনানি চলবে। এই কার্যক্রম ১০ জানুয়ারি শুরু হয়ে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত চলার কথা থাকলেও আপিলের সংখ্যা ও সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সময়সূচিতে পরিবর্তন আসতে পারে।
শুনানির সময় সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা বা তাঁর প্রতিনিধি এবং আপিলকারীকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ উপস্থিত থাকতে হবে। শুনানি শেষে আপিলের সিদ্ধান্ত তাৎক্ষণিকভাবে মনিটরে দেখানো হবে এবং ই-মেইলের মাধ্যমে পিডিএফ কপি পাঠানো হবে। পাশাপাশি নির্ধারিত তারিখে নির্বাচন ভবন থেকে রায়ের হার্ডকপি সংগ্রহ করা যাবে।
ইসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী,
১০–১২ জানুয়ারির রায় বিতরণ হবে ১২ জানুয়ারি,
১৩–১৫ জানুয়ারির রায় বিতরণ হবে ১৫ জানুয়ারি এবং
১৬–১৮ জানুয়ারির রায় বিতরণ করা হবে ১৮ জানুয়ারি।
