চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি : মোঃ আরিফুল ইসলাম।
দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেলে বিদেশগামী শ্রমজীবী মানুষদের জন্য বিনা সুদে ঋণ প্রদান করা হবে—ইনশাআল্লাহ। বলেন অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেল।
চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার জামজামী ইউনিয়নের ৭ ও ৮ নং ওয়ার্ডের পাঁচলিয়া গ্রাম, পাঁচলিয়া বাজার ও জামজামী দাসপাড়ায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত চুয়াডাঙ্গা-০১ আসনের এমপি পদপ্রার্থী অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেলের পথসভা ও গণসংযোগ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বিকাল ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৮:৩০ টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে এলাকাবাসীর উৎসাহ-উদ্দীপনা ছিল চোখে পড়ার মতো।
পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেল বলেন,
“জামায়াতে ইসলামী দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেলে বিদেশগামী শ্রমজীবী মানুষদের জন্য বিনা সুদে ঋণ প্রদান করা হবে—ইনশাআল্লাহ। দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে প্রবাসীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। তাদের রেমিটেন্সই দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিচ্ছে। তাই দেশের যুবসমাজ যাদের বিদেশে যাওয়ার ইচ্ছা আছে, তাদের জন্য জামায়াতে ইসলামী বিশেষ প্রণোদনা ও সুদমুক্ত ঋণের ব্যবস্থা করবে।”
তিনি আরও বলেন,
“বিগত অবৈধ সরকার যুবসমাজকে কর্মসংস্থান না দিয়ে তাদের হাতে মাদক তুলে দিয়েছে। ফলে তারা দেশের সম্পদে পরিণত না হয়ে জাতির বোঝায় পরিণত হয়েছে। জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় এলে প্রতিটি যুবককে যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ প্রদান করা হবে এবং তাদেরকে দেশের প্রকৃত সম্পদ হিসেবে গড়ে তোলা হবে।”
গণসংযোগ ও পথসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন—
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চুয়াডাঙ্গা জেলা যুব বিভাগের সভাপতি শেখ নূর মোহাম্মদ হুসাইন টিপু, জেলা আইন ও আদালত বিষয়ক সম্পাদক মো. দারুস সালাম, আলমডাঙ্গা উপজেলা আমীর প্রভাষক শফিউল আলম বকুল, উপজেলা সেক্রেটারি মো. মামুন রেজা, সহকারী সেক্রেটারি মো. বেলাল হোসাইন, মো. তরিকুল ইসলাম, মানবসম্পদ উন্নয়ন সম্পাদক মো. শফিউজ্জামান মিঠু,জামজামী ইউনিয়ন আমীর মো. ফজলুল হক, সেক্রেটারি মো. শরিফুল ইসলাম, নায়েবে আমীর মো. রফিকুল ইসলাম, অফিস সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, সাবেক সভাপতি ডা. আব্দুল মোমিন, ডাউকি ইউনিয়ন সেক্রেটারি ডা. আব্দুস সালাম, জামজামী ইউনিয়ন যুব বিভাগের সভাপতি মো. নাসির উদ্দিন ও সেক্রেটারি মো. আবু রায়হানসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ৭ নং ওয়ার্ড সভাপতি মো. শামীম রেজা এবং অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ৮ নং ওয়ার্ড সভাপতি মো. সাদ্দাম হোসেন।
এ কর্মসূচির মাধ্যমে এলাকায় দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে ব্যাপক গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে বলে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা চলছে।
