চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি :
নারীরা শুধু পরিবারেই নয়—দেশের সামাজিক, ধর্মীয়, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে। পরিবারে তাদের নেতৃত্ব ও নৈতিক মূল্যবোধ নতুন প্রজন্ম গড়ে তোলে এবং সমাজের সব ক্ষেত্রে তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ দেশের অগ্রগতিতে অনবদ্য ভূমিকা রাখে—এমন মন্তব্য করেন অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেল।
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের বদরগঞ্জ বাকি বিল্লাহ মাদ্রাসা মাঠে কুতুবপুর ইউনিয়ন জামায়াতের মহিলা সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথা বলেন। শনিবার বিকাল ৩টায় মহিলা সমাবেশ শেষে বদরগঞ্জ বাজারে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে ব্যাপক গণসংযোগ অনুষ্ঠিত হয়।
গণসংযোগে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার সহকারী সেক্রেটারি ও জামায়াত মনোনীত চুয়াডাঙ্গা-০১ আসনের এমপি পদপ্রার্থী অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেল। তিনি সমাবেশে আরও বলেন,
“নারীর উন্নয়ন ছাড়া কোনো সমাজে স্থায়ী অগ্রগতি সম্ভব নয়। শিক্ষিত ও সক্ষম নারী সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনে। তাই নারীদের শিক্ষার সুযোগ ও অধিকার নিশ্চিত করা আমাদের সকলের দায়িত্ব। নারী শিক্ষায় ও বিভিন্ন প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে পুরুষের সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে সরকার ও সমাজকে এগিয়ে আসতে হবে।”
সমাবেশ শেষে এডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেল বদরগঞ্জ বাজার, কাঁচামালের বাজার ও মাছের বাজার পরিদর্শন করেন এবং ব্যবসায়ী, ক্রেতা ও স্থানীয়দের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করেন। তিনি বাজারের বর্তমান অবস্থা, ব্যবসার সুযোগ-সুবিধা ও জনগণের সমস্যা শুনেন এবং সমাধানের লক্ষ্যে করণীয় নিয়ে আলোচনা করেন।
গণসংযোগে আরও উপস্থিত ছিলেন—চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা আমীর মাওলানা বিলাল হোসাইন, উপজেলা নায়েবে আমীর মোঃ আব্দুল জব্বার, উপজেলা সেক্রেটারি গোলাম রসুল, উপজেলা অফিস সম্পাদক মোঃ আশির উদ্দীন, আইটি ও প্রচার সম্পাদক মোঃ মামুন হাওলাদার, উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ বিভাগের সভাপতি মোঃ মাসুম, কুতুবপুর ইউনিয়ন আমীর মাওলানা খবির উদ্দীন, ইউনিয়ন সেক্রেটারি মোঃ মহরম মুন্সি ও অন্যান্য স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
উপস্থিত জনগণ ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে উৎসাহ–উদ্দীপনা লক্ষ করা যায়। স্থানীয়রা ব্যবসায়িক সমস্যা তুলে ধরেন এবং উন্নয়নমূলক পরিকল্পনা সম্পর্কে ধারণা নেন। গণসংযোগে জনমত প্রকাশ পায়—স্বচ্ছ, সৎ ও আদর্শিক নেতৃত্বের প্রতি মানুষের আকাঙ্ক্ষা বৃদ্ধি পেয়েছে। অনেকে মন্তব্য করেন, “এবার আমরা কাজ ও ব্যক্তিত্ব দেখে ভোট দেব।”
