মঙ্গলবার, ২8 জুলাই ২০২৬ 8:৫৭ এএম,১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩মঙ্গলবার 8:৫৭ এএম
মঙ্গলবার, ২8 জুলাই ২০২৬ 8:৫৭ এএম,১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩মঙ্গলবার 8:৫৭ এএম
কনভার্টার
ফটোকার্ড
সব খবর

নামাজের সময়-সূচি

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৪:০১
  • ১২:০৮
  • ৪:৪৩
  • ৬:৪৯
  • ৮:১২
  • ৫:২৪
A rocket is flying through the sky
[hdm_tts]

নিউজ ডেস্ক :

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে প্রথমবারের মতো সেজ্জিল-২ হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে ইরানের প্রতিরক্ষা বাহিনী। ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন প্রেস টিভির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, গত রোববার এই ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। একই দিনে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান সংঘাতের ১৬তম দিন পূর্ণ হয়।

সেজ্জিল ক্ষেপণাস্ত্রকে অনেক সময় ‘নৃত্যরত ক্ষেপণাস্ত্র’ বা ‘ড্যান্সিং মিসাইল’ বলা হয়। এছাড়া এটি সাজ্জিল ও আশুরা নামেও পরিচিত। ইরানের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি এই শক্তিশালী মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র প্রায় ২০০০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। দুই ধাপবিশিষ্ট এই ক্ষেপণাস্ত্র প্রায় ৭০০ কেজি পর্যন্ত বিস্ফোরক বহন করতে পারে।

সেজ্জিল ক্ষেপণাস্ত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো— এটি তরল জ্বালানির বদলে কঠিন বা সলিড জ্বালানি ব্যবহার করে উৎক্ষেপণ করা হয়। উচ্চ আকাশে চলাচলের সময় দিক পরিবর্তনের বিশেষ সক্ষমতা থাকায় একে ‘নৃত্যরত ক্ষেপণাস্ত্র’ নামে ডাকা হয়।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক থিংকট্যাঙ্ক সংস্থা সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের তথ্য অনুযায়ী, সেজ্জিল ক্ষেপণাস্ত্রের দৈর্ঘ্য প্রায় ১৮ মিটার, ব্যাস প্রায় ১ দশমিক ২৫ মিটার এবং মোট ওজন প্রায় ১২ হাজার ৬০০ কেজি।

এই ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির কাজ ইরান শুরু করে নব্বইয়ের দশকে। দীর্ঘ গবেষণা ও উন্নয়নের পর ২০০৮ সালে প্রকল্পটি সম্পন্ন হয় এবং একই বছর প্রথমবার পরীক্ষামূলকভাবে সেজ্জিল ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করা হয়।

সেজ্জিল ক্ষেপণাস্ত্রের দুটি সংস্করণ রয়েছে— সেজ্জিল-১ ও সেজ্জিল-২। এর মধ্যে সেজ্জিল-১ স্বল্প পাল্লার হলেও সেজ্জিল-২ মাঝারি পাল্লার এবং অধিক শক্তিশালী। সর্বশেষ উৎক্ষেপণে ইরান সেজ্জিল-২ সংস্করণটি ব্যবহার করেছে বলে জানা গেছে।

সংবাদটি সংরক্ষণ করুন

আপনার এলাকার খবর

বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় সংবাদ মাধ্যম

প্রথমবারের মতো ‘নৃত্যরত’ সেজ্জিল ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করল ইরান

📅 ১৬ মার্চ ২০২৬ | 📂 আন্তর্জাতিক

নিউজ ডেস্ক :

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে প্রথমবারের মতো সেজ্জিল-২ হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে ইরানের প্রতিরক্ষা বাহিনী। ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন প্রেস টিভির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, গত রোববার এই ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। একই দিনে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান সংঘাতের ১৬তম দিন পূর্ণ হয়।

সেজ্জিল ক্ষেপণাস্ত্রকে অনেক সময় ‘নৃত্যরত ক্ষেপণাস্ত্র’ বা ‘ড্যান্সিং মিসাইল’ বলা হয়। এছাড়া এটি সাজ্জিল ও আশুরা নামেও পরিচিত। ইরানের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি এই শক্তিশালী মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র প্রায় ২০০০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। দুই ধাপবিশিষ্ট এই ক্ষেপণাস্ত্র প্রায় ৭০০ কেজি পর্যন্ত বিস্ফোরক বহন করতে পারে।

সেজ্জিল ক্ষেপণাস্ত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো— এটি তরল জ্বালানির বদলে কঠিন বা সলিড জ্বালানি ব্যবহার করে উৎক্ষেপণ করা হয়। উচ্চ আকাশে চলাচলের সময় দিক পরিবর্তনের বিশেষ সক্ষমতা থাকায় একে ‘নৃত্যরত ক্ষেপণাস্ত্র’ নামে ডাকা হয়।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক থিংকট্যাঙ্ক সংস্থা সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের তথ্য অনুযায়ী, সেজ্জিল ক্ষেপণাস্ত্রের দৈর্ঘ্য প্রায় ১৮ মিটার, ব্যাস প্রায় ১ দশমিক ২৫ মিটার এবং মোট ওজন প্রায় ১২ হাজার ৬০০ কেজি।

এই ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির কাজ ইরান শুরু করে নব্বইয়ের দশকে। দীর্ঘ গবেষণা ও উন্নয়নের পর ২০০৮ সালে প্রকল্পটি সম্পন্ন হয় এবং একই বছর প্রথমবার পরীক্ষামূলকভাবে সেজ্জিল ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করা হয়।

সেজ্জিল ক্ষেপণাস্ত্রের দুটি সংস্করণ রয়েছে— সেজ্জিল-১ ও সেজ্জিল-২। এর মধ্যে সেজ্জিল-১ স্বল্প পাল্লার হলেও সেজ্জিল-২ মাঝারি পাল্লার এবং অধিক শক্তিশালী। সর্বশেষ উৎক্ষেপণে ইরান সেজ্জিল-২ সংস্করণটি ব্যবহার করেছে বলে জানা গেছে।